Patuakhali-sorok-oborod-pic-1পটুয়াখালী: পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে ঢাকা -কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার সাকল ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত পটুয়াখালী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মহাসড়কে আড়াআড়ি করে যানবাহন ফেলে রেখে প্রায় ৫ ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির সদস্যরা।

অবরোধের ফলে মহাসড়কের দু’পাশে অর্ধশতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। এতে কুয়াকাটায় আসা পর্যটকসহ সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে দুই জেলার বাস মালিক সমিতির সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হলে অবরোধ তুলে নেয় পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতি।

সূত্র জানায়, পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা যেতে ৭২ কিলোমিটার রাস্তার বরগুনা জেলার আমতলি উপজেলার মধ্যে রয়েছে ৩৮ কিলোমিটার পথ। বাকি পথ পটুয়াখালী জেলার। ভুখন্ডের হিসেব অনুযায়ী পটুয়াখালী ও বরগুনা বাস মালিক সমিতির সাথে সমন্বয় করেই এ রুটে বাস চালানোর দাবি বরগুনা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির। তবে দীর্ঘদিনেও এ সমন্বয় চেস্টা ব্যর্থ হওয়ায় গত ১১ ডিসেম্বর থেকে পটুয়াখলী কুয়াকাটা সড়কে আমতলির বাস পটুয়াখালীর ভুখন্ডে আসতে দেয়া হচ্ছে না এবং পটুয়াখালীর বাসও আমতলীর ভুখন্ডে যেতে দেয়া হচ্ছে না।

এর জেরে সর্বশেষ শুক্রবার সড়ক অবরোধ করে পটুয়াখালী মালিক সমিতির সদস্যরা।

সমস্যা সমাধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম আজিমুল হকের নেতৃত্বে দুই জেলার মালিক সমিতির সাথে আলোচনা বসেন প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা। আলোচনায় পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার বাস মালিকরা সমন্বয় করে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত হওয়ায় পটুয়াখালী বাস মলিক সমিতি অবরোধ তুলে নেয়।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ মৃধা বাংলামেইলকে বলেন, ‘এখন থেকে সমন্বয় করেই পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কে বাস চলাচল করবে।’

পটুয়াখালীর অতিরিক্তি পুলিশ সুপার এএইচএম আজিমুল হক জানান, দীর্ঘ ১০ বছরের অধীক সময় ধরে দুই জেলার মালিক সমিতির মধ্যে এই বিরোধ চলে আসছিল। আজ শুক্রবার আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY