DSC_2824 আর জাওয়াহিরিও তার মতো নন।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ। ‘চলমান রাজনৈতিক সংকট ও তা থেকে উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এ গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে খেলাফত মজলিস।

সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান সম্বলিত আল কায়েদা নেতা আইমান আল জাওয়াহিরির একটি অডিওবার্তা প্রকাশিত হয়। সারা দেশে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। সে প্রসঙ্গেই উপরের মন্তব্য করেন এমাজউদ্দিন আহমেদ।

বাংলাদেশের জঙ্গি উত্থান নিয়ে নানা জনের নানা বক্তব্যের প্রসঙ্গে এমাজউদ্দীন বলেন, ‘আফগান বা তালেবান জঙ্গিদের সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা মুসলিম বলেই পূর্ব পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল। আর সেই ধারাবাহিকতায় পরে বাংলাদেশের সৃষ্টি। বাংলাদেশ কখনো নষ্ট হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘যে কোনো আন্দোলনে লক্ষ্য অর্জনের জন্য জনসমর্থনের বিকল্প নেই। তাই উদ্দেশ্য সফল করার পূর্বে জনসমর্থন তৈরির বিকল্প নেই।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন, ‘গণতন্ত্রকে সম্মান দেখিয়েই আমরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা কি সেই কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র পেয়েছি। আপনারা কি ভেবেছেন বর্তমান সরকার আমাদের গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা দিবে? কখনই না। হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে নিজেদেরই আন্দোলন করতে হবে।’

বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার পর থেকেই দেশে সংকট শুরু হয়েছে। দিন যতই গিয়েছে ততই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে আন্দোলন ঘনিভূত হয়েছে।’

বিভিন্ন জরিপের ফলাফল তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে। তাই সরকার আন্দোলন দমন করা ও স্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।’

খেলাফতে মজলিসের মহাসচীব অভিযোগ করে বলেন, ‘আন্দোলন দমন করার জন্য বিরোধী দলের কর্মসূচী পুলিশী এ্যাকশনৈ পন্ড করার ব্যবস্থা করেছে সরকার। যার ফলে দেশে সৃষ্টি হয়েছে ত্রাশের রাজত্ব।’

গোল টেবিল বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, সিনিয়র নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাসউদ খান, নায়েবে আমির অধ্যাপক মাওলানা জোবায়ের আহমদ চৌধুরী, নায়েবে আমির মাওলানা সৈয়দ মুজিবুর রহমানসহ অন্য নেতারা।

LEAVE A REPLY