বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, পরিবেশের সঙ্গে সমন্বয় করেই দেশের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানীর প্রসার ও বিকাশে বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ নেওয়া হয়েছে। রোপটপ সোলার ও নেট মিটারিং সিস্টেম দিনে দিনে জনপ্রিয় বিজনেস মডেলে পরিণত হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সোলার হোম সিস্টেমে প্রণোদনা দেওয়ার জন্য ৬০ লাখ সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে প্রায় দু’কোটি অফগ্রীড এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।
নসরুল হামিদ আজ ভার্চুয়ালী বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিক্সনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।
এ সময় তাঁরা পারষ্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রাথমিক মূল্য ও স্টোরেজ সিস্টেম একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করতে অনেক জমির প্রয়োজন হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে উইন্ড ম্যাপিং করা হয়েছে। উইন্ড পাওয়ার নিয়ে ও ওশান পাওয়ার নিয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা অপরিহার্য।
তিনি আরো বলেন, নেপাল ও ভূটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সাক্ষাতকালে বৃটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশের জ্বালানির রূপান্তর ও তার সম্ভাবনা, বাংলাদেশের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান পর্যালোচনা, এনার্জি ট্রাঞ্জিশন কাউন্সিলের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিকল্পনা, জলবায়ু ও পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়।


এ সময় অন্যান্যের মধ্যে হাইকমিশনের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংক্রান্ত টীম লিডার জন অয়ারবারটন ও পরিচালক (উন্নয়ন) জডিদ হারবার্টসন সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।