স্টাফ রিপোর্টার : গত ০২-০৭-২০২১ইং মামলা নং (৪) তারিখে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় বোনের বিরুদ্ধে জালজালিয়াতি এবং প্রতারণার মাধ্যমে ভাইয়ের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন খিলগাঁও থানার এস আই আরিফুল ইসলাম।
মামলা এজাহারে বাদী আবু নাইম মোহাম্মদ রিয়াদ অভিযোগ করেন, তার বিদেশে অবস্থানের সুযোগ নিয়ে বোন ফেরদৌস খানম মুক্তা এবং বোনের স্বামী দেলোয়ার হোসেন জাল ওয়ারিশান সনদপত্র এবং হলফনামা নোটারি পাবলিক তৈরি করে বাবার পেনশনের দেড় কোটি টাকা এবং সম্পত্তি আত্মসাত করেছে। ১১ বছর বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফিরে বোনের কাছে বাবার সম্পত্তির হিসাব চাইতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে জানায় মামলার বাদী।
মামলারবাদী উল্লেখ করেন, ০২/০১/২০২০ ইং তারিখে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরে বোনের কাছে বাবার সম্পত্তি এবং পেনশনের টাকার বিষয়ে জানতে চান। তখন বোন ফেরদৌস খানম মুক্তা একটি বন্টননামার ফটোকপি ধরিয়ে দিয়ে বলেন যে এই বন্টননামা অনুযায়ী সম্পত্তিভোগ করবো। কিন্তু বন্টননামাটি পর্যালোনা করে দেখা যায় বন্টননামাটি সঠিক নয়। এতে তার পক্ষে স্ত্রী স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। তাও সঠিক না। জালিয়াতি করে এসব স্বাক্ষর দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, তার বাবা বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর অবস্থায় অবসরে যান। তার পূর্ণাঙ্গ পেনশন, ব্যাংক ব্যালেন্স, শেয়ার, প্রাইজবন্ড, বাড়ীভাড়াসহ মায়ের স্বর্ণালংকারের হিসেব বুঝে নিতে চাইলে বিবাদীরা প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শণ করার ফলে ২৯-০১-২০২০ সালে মুক্তা এবং দেলোয়ার বিরুদ্ধে খিলগাওঁ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় যাহার নং ২১২৩ তারিখ ২৯-০১-২০২০ এবং গত ২৭/১১/২০২০ইং তারিখে সকাল ১০ টার সময় ফেরদাউস খানম মুক্তা ও তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন ৩৭৯ উওর গোড়ান বাড়িতে আসিয়া তৃতীয় তলার ভাড়াটিয়াদের বাহির করার চেষ্টা করে। ঐদিন খিলগাওঁ থানায় তাদের বিরুদ্ধে আরেকটি একটি সাধারন ডায়েরী রুজু করা হয় যাহার নং ২২২৯, ২৭-১১-২০২০ এবং ১৪৫ ধারা জাড়ি করা হয় এবং সাসওয়ারেন্ট ৯৮ ধারা খিলগাওঁ থানাকে কার্যকরার হকুম দেওয়া হয় তাও খিলগাওঁ থানা তামিল করে নাই । বোন মুক্তা ভাইয়ের বিরুদ্ধে খিলগাওঁ থানাকে মেনেছ করে তৃতীয় তালায় তার বাসা বলে রিয়াদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে চুরি মামলা করে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্ররণ করে সরজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মামলা করা হয়েছে মুক্তার বাসা হল ২২২ কাজি নিবাস মালিবাগ, শাহজাহানপুর, থানা ঢাকা। (৪) নং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, বিবাদী ফৌজদারি অপরাধ করেছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে বাদিকে বুঝাছে ফেরদাউস খানম মুক্তা ও দেলোয়ারকে গ্রেফতার না করার রহস কি জাতি জানতে চায় ,যেখানে থানায় এই বাদিকেই মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে খিলগাওঁ থানা আজ এক মাস পার হওয়ার পথে তবুও আসামী গ্রেফতার না করার রহস কি? মামলার বাদীর অভিযোগ খিলগাওঁ থানা এবং মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার আসামী সাথে যোগসাজে অর্থের বিনিময় হওয়াতে আসামী গ্রেফতার করা হচ্ছেনা।